রাজ্যসভায় আপ সাংসদ রাঘব চাঢ়া প্রিপেইড মোবাইল রিচার্জ সিস্টেমকে “স্ক্যাম” বলে অভিহিত করে তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন, টেলিকম কোম্পানিগুলোর ২৮ দিনের রিচার্জ প্ল্যানের কারণে এক বছরে (১২ মাসে) ১৩ বার রিচার্জ করতে হয়, যা গ্রাহকদের উপর অতিরিক্ত বোঝা চাপায়।
মূল অভিযোগগুলো:
- এক বছরে ৩৬৫ দিন, কিন্তু ২৮ দিন × ১৩ = ৩৬৪ দিনের প্ল্যান। ফলে গ্রাহকরা বছরে একবার অতিরিক্ত রিচার্জ করতে বাধ্য হন, যা “লুট” বলে তিনি অভিহিত করেছেন।
- রিচার্জের মেয়াদ শেষ হলে শুধু আউটগোয়িং কল নয়, ইনকামিং কলও ব্লক করে দেওয়া হয়। এতে গ্রাহকরা জরুরি অবস্থায় অসহায় হয়ে পড়েন – OTP, পরিবারের ফোন, চাকরির খবর বা ব্যাঙ্কের মেসেজ পান না।
- রাঘব চাঢ়া বলেছেন: “আউটগোয়িং কল বন্ধ করা বোঝা যায়, কিন্তু ইনকামিং কল ব্লক করা একেবারেই অন্যায়। জরুরি পরিস্থিতিতে মানুষ অসহায় হয়ে যায়।”
- তিনি আরও বলেছেন: “আজকের সময়ে মোবাইল আর বিলাসিতা নয়, সাধারণ মানুষের জন্য প্রয়োজনীয়তা হয়ে দাঁড়িয়েছে।”
প্রভাব:
- এই প্র্যাকটিস গরিব, দৈনিক মজুরি কর্মীদের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করে, কারণ তারা ফোন নম্বরের উপর চাকরি, ব্যাঙ্ক, আধার, OTP-এর জন্য নির্ভর করে।
- টেলিকম কোম্পানিগুলো (জিও, এয়ারটেল, ভোডাফোন আইডিয়া) এই ২৮ দিনের সাইকেল ব্যবহার করে গ্রাহকদের বারবার রিচার্জ করতে বাধ্য করে, যা তাদের আয় বাড়ায়।
রাঘব চাঢ়া সোশ্যাল মিডিয়ায়ও এই বিষয় তুলে ধরেছেন এবং বলেছেন যে তিনি পার্লামেন্টে প্রিপেইড রিচার্জ গ্রাহকদের উপর চলা এই “লুট” নিয়ে কথা বলেছেন। তিনি টেলিকম কোম্পানিগুলোকে গ্রাহকদের প্রতি স্বচ্ছ ও ন্যায্য আচরণ করার আহ্বান জানিয়েছেন।
এই ইস্যু নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক আলোচনা চলছে, অনেকে একই অভিজ্ঞতা শেয়ার করছেন এবং ট্রাই (TRAI)-এর কাছে নিয়ম পরিবর্তনের দাবি জানাচ্ছেন।

