ইরানের অ্যাসেম্বলি অফ এক্সপার্টস আয়াতুল্লাহ সাইয়েদ মোজতাবা হোসেনি খামেনেইকে (মোজতাবা খামেনেই) দেশের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে। তিনি পূর্বতন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেইর পুত্র, যিনি সম্প্রতি মার্কিন-ইসরায়েলি যৌথ হামলায় নিহত হয়েছেন। এই নিয়োগ ইরানের ১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের পর প্রথমবারের মতো পিতা থেকে পুত্রে ক্ষমতা হস্তান্তরের ঘটনা, যা দেশকে চলমান যুদ্ধের মধ্য দিয়ে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য কঠোরপন্থী ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করছে।
এই নিয়োগের পরপরই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মোজতাবা খামেনেইকে “অগ্রহণযোগ্য” বলে ঘোষণা করেছেন এবং ইরানের নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ দাবি করেছেন। ইসরায়েলও তাকে সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু হিসেবে চিহ্নিত করেছে। ইরানের পক্ষ থেকে এর পরিপ্রেক্ষিতে ইসরায়েলে প্রথম বড় মিসাইল হামলা চালানো হয়েছে, যা যুদ্ধকে আরও তীব্র করে তুলেছে। আন্তর্জাতিক মহলে এটি মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির সম্ভাবনাকে আরও কমিয়ে দিয়েছে।
ইরানের অভ্যন্তরে কিছু অংশে উদযাপন হলেও অনেকে এই পিতা-পুত্রের রাজবংশীয় ধারাকে সমালোচনা করছেন। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিনসহ কিছু মিত্র দেশ অভিনন্দন জানালেও আমেরিকা-ইসরায়েলের চাপে ইরানের ভবিষ্যৎ নীতি আরও কঠোর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই পরিবর্তন যুদ্ধের গতিপথকে নতুন মোড় দিতে পারে।

