আমেরিকার ন্যাশনাল উইমেন্স সকার লিগ (NWSL)-এ দলগুলো বিশ্বের প্রথম নারী ফুটবলের জন্য তৈরি স্টেডিয়াম বানাচ্ছে। কানসাস সিটি কারেন্ট দলের CPKC স্টেডিয়াম (১১,৫০০ দর্শক ধারণ ক্ষমতা) ২০২৪ সালে খোলা হয়েছে — এটাই বিশ্বের প্রথম পুরোপুরি নারী ফুটবলের জন্য ডিজাইন করা গ্রাউন্ড। সব ম্যাচ সোল্ড আউট হয়, খুব লাউড ও ইনটিমিডেটিং অ্যাটমোসফিয়ার! দলের সহ-মালিক ক্রিস লং বলেছেন, “১০ বছর পর যদি কোনো নারী ফুটবল দলের নিজস্ব স্টেডিয়াম না থাকে, তাহলে তারা পিছিয়ে পড়বে।”
নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজি ডেনভার সামিট ২০২৮ সালের জন্য ১৪,৫০০ আসনের স্টেডিয়াম বানাচ্ছে। এতে থাকবে ফ্যামিলি-ফ্রেন্ডলি সিটিং, প্রাইভেট চেঞ্জিং রুম, অতিরিক্ত টয়লেট, মায়েদের জন্য সেন্সরি রুম — সবকিছু নারী খেলোয়াড় ও ফ্যানদের কথা মাথায় রেখে। প্রেসিডেন্ট জেন মিলেট বলেছেন, “নিজস্ব স্টেডিয়াম মানে আয় নিয়ন্ত্রণ, টেকসই ব্যবসা।” কানসাস সিটির প্রেসিডেন্ট রেভেন জেমিসন যোগ করেছেন, “এটা সেরা হোম অ্যাডভান্টেজ তৈরি করে, প্রতিপক্ষের জন্য খেলা কঠিন হয়ে যায়।”
কানসাস সিটি কারেন্ট ২০২৫ সালে NWSL শিল্ড জিতেছে ২১ পয়েন্টের ব্যবধানে (প্লে-অফে হেরেছে), আর তাদের রেভেনিউ $৩৬ মিলিয়ন — যা অনেক WSL দলের (আর্সেনাল, চেলসি ছাড়া) থেকে বেশি। কিন্তু ইংল্যান্ডের WSL-এ ১২ দলের মধ্যে ১১টি পুরুষ দলের সাথে যুক্ত, বড় স্টেডিয়ামে খেলে কম দর্শক আসে (যেমন এভারটন গুডিসন পার্কে গড় ৩,৫২২)। ব্রাইটনের নতুন স্টেডিয়াম প্রস্তাব বিলম্বিত, চেলসি কিংসমিডো ব্যবহার করে।
এই উদ্যোগ নারী ফুটবলকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাচ্ছে — আর্থিক স্বাধীনতা, খেলোয়াড় ধরে রাখা, ফ্যান অভিজ্ঞতা সব বাড়ছে। WSL-এর জন্য এটা বড় অনুপ্রেরণা, কিন্তু বিনিয়োগের চ্যালেঞ্জ আছে। NWSL-এর ২০২৬ সিজন এই উইকেন্ড শুরু হচ্ছে — দেখা যাক কী হয়!


