গত কয়েক ঘণ্টায় মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্যবস্তুতে ইরান নতুন করে বড় ধরনের হামলা চালিয়েছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, এই হামলা ছিল সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে সবচেয়ে তীব্র ও ভারী। এএফপি’র খবরে বলা হয়েছে, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এই হামলাকে ‘ট্রু প্রমিস ৪’ অপারেশনের অংশ হিসেবে বর্ণনা করেছে।
ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, ইরান থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করা হয়েছে। তবে পরে তারা জানায়, নাগরিকদের আশ্রয়স্থল ছেড়ে বেরিয়ে আসা নিরাপদ। তেল আবিব, জেরুজালেমসহ বিভিন্ন এলাকায় সাইরেন বেজেছে এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় হয়ে ক্ষেপণাস্ত্র আটকেছে। কিছু ক্ষেপণাস্ত্র হাইফা, বেইত শেমেশের কাছে আঘাত হেনেছে বলে খবর পাওয়া গেছে, যদিও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর এখনও নিশ্চিত নয়।
এদিকে, সৌদি আরব জানিয়েছে, তাদের একটি তেলক্ষেত্রের দিকে যাওয়া দুটি ড্রোন আটকে ধ্বংস করা হয়েছে। বাহরাইনে সাইরেন বেজেছে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর ফিফথ ফ্লিটের সদর দপ্তর অবস্থিত। গালফ অঞ্চলের অন্যান্য দেশগুলোতেও ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার খবর পাওয়া গেছে, যার বেশিরভাগই আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দিয়ে আটকানো হয়েছে।
এই হামলা চলমান যুদ্ধের অংশ, যা গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ আক্রমণের জবাবে ইরানের পাল্টা হামলা হিসেবে দেখা হচ্ছে। পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠছে, এবং তেলের দামসহ বিশ্ব অর্থনীতিতে এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে।


