১০৭ মিনিটের ভাষণে ট্রাম্পের পুরনো সুর, নতুন উদ্যোগহীন প্রশাসন

By bts

Feb, 25, 2026, 9:11 IST

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মঙ্গলবার রাতে কংগ্রেসে তার রাষ্ট্রীয় ভাষণে বলেছেন, আমেরিকায় এক ‘ঐতিহাসিক পরিবর্তন’ ঘটেছে। প্রায় ১০৭ মিনিটের এই দীর্ঘ ভাষণে তিনি নিজের নীতির সাফল্য তুলে ধরেন এবং ডেমোক্র্যাটদের সমালোচনা করেন। তবে দেশের বর্তমান অবস্থা নিয়ে জনমানে অসন্তোষ থাকলেও, ট্রাম্প তার নীতির কোনো আমূল পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেননি বরং আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনের দিকে নজর রেখে নিজের সমর্থকদের উদ্দেশে দেশপ্রেমে উজ্জীবিত করার চেষ্টা করেন।

ভাষণে ট্রাম্প অর্থনীতি, সীমান্ত নিরাপত্তা ও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের মতো নিজের প্রশাসনের সাফল্যের পুনরাবৃত্তি করেন। তিনি নতুন করে কিছু নীতি ঘোষণার পাশাপাশি পুরনো কিছু প্রস্তাব পুনরায় তোলেন। যেমন সাধারণ মানুষের জন্য নতুন সঞ্চয় অ্যাকাউন্ট, নাগরিকত্ব প্রমাণ না দিলে ভোট দিতে না দেওয়ার আইন, এবং অভিবাসন ইস্যুতে কঠোর অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন।

তার ভাষণে অভিবাসন ইস্যুটি সবচেয়ে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তিনি অনিবন্ধিত অভিবাসীদের ‘হুমকি’ হিসেবে আখ্যায়িত করলে রিপাবলিকানরা করতালি দেয় এবং ডেমোক্র্যাটরা ক্ষোভ প্রকাশ করে। তবে সম্প্রতি মিনিয়াপোলিসে ফেডারেল এজেন্টদের গুলিতে দুই মার্কিন নাগরিক নিহত হওয়ার ঘটনা তার অবস্থানকে দুর্বল করেছে, যা তিনি ভাষণে এড়িয়ে যান।

বিদেশনীতিতে ইরান প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, তিনি কূটনীতির মাধ্যমে সমস্যা সমাধানে আগ্রহী, কিন্তু ইরানকে কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে দেওয়া হবে না। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, জনসমর্থন পেতে ট্রাম্প তার ভাষণে দেশপ্রেম ও সামরিক বাহিনীর সাফল্যকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন, যা আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে তার রাজনৈতিক কৌশলেরই অংশ। সূত্র: bbc