কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির সাম্প্রতিক ভারত সফর দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক পুরোপুরি রিসেট করতে সাহায্য করেছে বলে মন্তব্য করেছেন ভারতের বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল।২০২৩ সালে কানাডায় শিখ নেতা হরদীপ সিং নিজ্জর হত্যাকাণ্ডের পর দুই দেশের সম্পর্কে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছিল। কার্নির পূর্বসূরি জাস্টিন ট্রুডোর আমলে এই সংকট চরমে পৌঁছায়।গোয়েল সোমবার (২৫ মে, ২০২৬) ওটাওয়ায় কানাডার আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমন্ত্রী মানিন্দার সিধু’র সঙ্গে বৈঠকের পর বলেন, “এটি এমন একটি অংশীদারিত্ব যা খুব দ্রুত রিসেট হচ্ছে।” তিনি জানান, ফেব্রুয়ারির শেষে কার্নির ভারত সফর (৮ বছরের মধ্যে প্রথম কানাডীয় প্রধানমন্ত্রীর সফর) দুই দেশের দৃষ্টিভঙ্গি সম্পূর্ণ বদলে দিয়েছে।বাণিজ্যিক অগ্রগতি:
- দুই দেশ চলতি বছরেই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (FTA) স্বাক্ষর করতে আগ্রহী।
- ২০৩০ সালের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ৫০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
- কার্নির সফরে ভারত-কানাডা মূল্যবান ইউরেনিয়াম সরবরাহ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে (প্রায় ১.৯ বিলিয়ন ডলার)।
পীযূষ গোয়েলের সঙ্গে ভারতের খনি, জ্বালানি, অটোমোবাইল ও এয়ারোস্পেস খাতের ১০০ জনেরও বেশি শীর্ষ ব্যবসায়ী প্রতিনিধি কানাডা সফর করছেন। এটিকে কানাডায় ভারতের সবচেয়ে বড় ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দল বলা হচ্ছে।দুই দেশ ২০১০ সাল থেকে বাণিজ্য আলোচনা চালিয়ে আসছে। ২০২৩ সালে নিজ্জর হত্যাকাণ্ডের অভিযোগের পর আলোচনা স্থগিত হয়ে যায়। ভারত সব অভিযোগ অস্বীকার করে এবং কানাডাকে খালিস্তানি চরমপন্থীদের আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগ তোলে।

Leave a Comment