কাতারের একটি আলোচনা দল শুক্রবার (২২ মে, ২০২৬) তেহরানে পৌঁছেছে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমন্বয় করে তারা ইরানের সঙ্গে একটি চূড়ান্ত চুক্তির মাধ্যমে চলমান যুদ্ধের অবসান ঘটাতে সাহায্য করার চেষ্টা করছে।রয়টার্সের কাছে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। সূত্রটি জানায়, কাতারি দল যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমন্বয় করে তেহরানে গিয়েছে এবং “যুদ্ধ শেষ করা ও ইরানের সঙ্গে বাকি বিষয়গুলো সমাধানের জন্য চূড়ান্ত চুক্তি” করতে সহায়তা করবে।গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- কাতারের ভূমিকা: গাজা যুদ্ধসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংকটে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পরিচিত কাতার এবার আবার সক্রিয় হয়েছে। যদিও ইরানের সাম্প্রতিক হামলায় কাতারের এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
- বর্তমান পরিস্থিতি: যুদ্ধ শুরু হয়েছিল ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলার মাধ্যমে। বর্তমানে একটি দুর্বল যুদ্ধবিরতি চলছে, কিন্তু মূল ইস্যুগুলো এখনো অমীমাংসিত — যেমন: ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ এবং হরমুজ প্রণালী নিয়ন্ত্রণ।
- পাকিস্তানের ভূমিকা: পাকিস্তান এখন পর্যন্ত প্রধান মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করছে। তবে কাতারের পুনরায় যোগদানকে ইতিবাচক হিসেবে দেখা হচ্ছে, কারণ কাতার যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্র এবং তেহরানের সঙ্গে বিশ্বস্ত যোগাযোগের মাধ্যম।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, আলোচনায় কিছুটা অগ্রগতি হয়েছে, তবে এখনো পুরোপুরি আশাবাদী হওয়ার সময় আসেনি। তিনি পাকিস্তানকে প্রধান মধ্যস্থতাকারী হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
Source: link

Leave a Comment