মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরান যুদ্ধের কারণে তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় গত মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানরা হেরেছে—এই মতের সঙ্গে তিনি একমত। তবে তিনি স্পষ্ট করেছেন, ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখতে হলে ওই সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া ছাড়া তার কোনো বিকল্প ছিল না এবং প্রয়োজনে তিনি আবারও সেই সিদ্ধান্ত নেবেন।
সম্প্রতি এক্স-এ (সাবেক টুইটার) প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় ট্রাম্প এই মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, “আমি মনে করি এটি বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সত্য, কারণ এতে গ্যাসোলিনের দাম বেড়েছিল… কিন্তু একই সঙ্গে, যদি আমাকে আবারও করতে হতো, আমাকে তা করতে হতো, কারণ দীর্ঘমেয়াদে এটাই একমাত্র সমাধান। আপনি ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র রাখতে দিতে পারেন না।” ট্রাম্পের এই বক্তব্য রিপাবলিকান নেতা জেডি ভ্যান্সের আগের একটি মন্তব্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ, যেখানে তিনিও নির্বাচনে হারের জন্য তেলের দাম বৃদ্ধিকে দায়ী করেছিলেন।
ট্রাম্প আরও জানান, ইরান বিষয়টি শেষ হলে তেলের দাম কমছে এবং আরও কমবে। এছাড়া তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ২০২৭ সালের জানুয়ারিতে ডেমোক্র্যাটরা যদি “ধ্বংসাত্মক” আইন পাস করার চেষ্টা করে, তাহলে তিনি তার “পূর্ণ ভেটো ক্ষমতা” ব্যবহার করবেন। এই মন্তব্য আসন্ন রাজনৈতিক অচলাবস্থার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
প্রসঙ্গত, চলতি বছরের শুরুতে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে tensions তীব্র হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে ওই সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল। এর ফলে বৈশ্বিক তেলবাজারে অস্থিরতা দেখা দেয় এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির দাম বেড়ে যায়, যা স্থানীয় ভোটারদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি করেছিল বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। তবে ট্রাম্পের এই বক্তব্যে নির্বাচনী পরাজয়ের দায় স্বীকারের পাশাপাশি ভবিষ্যতের রাজনৈতিক লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুতির বার্তাও স্পষ্ট হয়েছে।





